Friday, December 1, 2023

নির্বাচনের ট্রেন চলছে

নির্বাচনের ট্রেন চলছে

 


নির্বাচনের ট্রেন চলছে, কোথাও আর থামবে না 


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচনের ট্রেন চলছে। কারো বাধায় কোথাও আর থামবে না। গন্তব্যে পৌঁছানো পর্যন্ত এই ট্রেন চলবে। যত বাধাই দেওয়া হউক, কেউ এই ট্রেন থামাতে পারবে না। নির্বাচন হবে। 

আজ শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির  রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বিফ্রিংয়ে এ কথা বলেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির ১৫ কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক ৩০ সংসদ সদস্য নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। ৩০ দলের অংশগ্রহণ বড় সাফল্য।’ 

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নামে একটি দল আজকে সহিংসতা, সন্ত্রাস, অগ্নি সন্ত্রাস করে এই নির্বাচনকে বাধা দেওয়ার চক্রান্ত করছে। এখন আবার তারা নতুন করে আন্দোলনের কথা বলছে। তার তো আন্দোলন করছে, একটা হরতাল একটা অবরোধ সফল হয়েছে এখন পর্যন্ত? আমি চ্যালেঞ্জ করতে পারি একটাও সফল হয়নি।

তিনি আরও বলেন, তারা সন্ত্রাস করতে পেরেছে, আগুন সন্ত্রাস করতে পেরেছে। কিন্তু জনগণের অংশগ্রহণ, জনগণের সাড়া নিয়ে তারা কোনো আন্দোলন সফল করতে পারেনি। ভবিষ্যতেও পারবে না।

সূত্রঃ দেশ রূপান্তর

ওবায়দুল কাদেরআওয়ামী লীগদ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন


অন্য রকম শাড়িতে নজর কাড়লেন রুনা

অন্য রকম শাড়িতে নজর কাড়লেন রুনা

 


অন্য রকম শাড়িতে নজর কাড়লেন রুনা



অভিনয় নিয়ে বরাবরই আলোচনায় ছিলেন মঞ্চ ও টেলিভিশন নাটকের অভিনয়শিল্পী রুনা খান। গত বছরে হঠাৎ ৪০ কেজি ওজন কমিয়ে ফটোশুটে ধরা দিলে চমকে যান সহকর্মী থেকে শুরু করে সবাই। ওজন কমানোর এই যাত্রায় যাননি জিমে। নিজের বানানো খাবারের রুটিন বদলে দিয়েছিল তাঁকে। পাশাপাশি টক্সিক মানুষের সঙ্গ ত্যাগ করে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছেন বলে জানান তিনি। ওজন কমানোর পর অনেক ফটোশুটে অংশ নিয়েছেন তিনি। যখনই সেসব ছবি ফেসবুকে প্রকাশিত হয়, তখন সবার নজর কাড়ে। আজাদ আবুল কালামের তোলা স্থিরচিত্রে একনজরে দেখে নেওয়া যাক নজরকাড়া রুনাকে—

ফেসবুকে একাধিক স্থিরচিত্র পোস্ট করেছেন রুনা খান। কথা হলে জানান, ঢাকার উত্তরায় একটি ফটোশুটে অংশ নিয়েছেন তিনি। সিল্ক ও মসলিনের ফিউশন শাড়ি পরিহিত রুনা খানের এই স্থিরচিত্রগুলো নজর কেড়েছে। মন্তব্যের ঘরেও তা টের পাওয়া গেছে।



গোপনে বিয়ে করেছিলেন রানী

গোপনে বিয়ে করেছিলেন রানী

 


গোপনে বিয়ে করেছিলেন রানী, এক বছর স্বামী নিয়ে হোটেলে থাকতেন


‘ইতালিতে চমত্কার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমি আর আদি (আদিত্য) বিয়ে করেছি। আমাদের পরিবারের সদস্য ও কাছের কয়েকজন বন্ধু বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। একজনের অনুপস্থিতি আমি ভীষণভাবে মিস করেছি। তিনি হলেন প্রয়াত যশ চোপড়া। কিন্তু আমি জানি, সশরীর না থাকলেও তাঁর অদৃশ্য সত্তা আমাদের সঙ্গেই ছিল। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, তিনি চিরকাল আমাকে ও আদিকে তাঁর ভালোবাসা ও আশীর্বাদ দিয়ে যাবেন।’

মেনন, ইনুসহ শরিকদের আসনে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী

মেনন, ইনুসহ শরিকদের আসনে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী

 


মেনন, ইনুসহ শরিকদের আসনে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী


আসন ভাগাভাগি নিয়ে এখনো সমঝোতা না হলেও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের শরিক ও মিত্রদের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। আগের তিনটি জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোটের শরিকেরা নৌকা প্রতীকের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন, এবারই ব্যতিক্রম। এবার শরিকদের আসনগুলোতে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ছাড়াও স্বতন্ত্র এবং অন্য দলের প্রার্থী রয়েছে।


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জোটবদ্ধ নিয়ে বিভ্রান্তিতে রয়েছেন আওয়ামী লীগের শরিক ও মিত্ররা। ক্ষমতাসীন দলটি ২৯৮ আসনে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। কিন্তু এখনো ১৪-দলীয় জোট ও মিত্রদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। মনোনয়নপত্র জমা না দিলে কোনো সমঝোতা নয়—আওয়ামী লীগের কাছ থেকে এমন বার্তা পেয়েই গতকাল বৃহস্পতিবার আসন ভাগাভাগি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে শেষ দিনে শরিকদের অনেকে মনোনয়নপত্র জমা দেন।


আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নিশ্চয়তা না পাওয়ায় এই আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেননি রাশেদ খান মেনন। তিনি গতকাল বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদি)—এই দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।


সুত্রঃ প্রথম আলো

 

আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীই ৪ শতাধিক

আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীই ৪ শতাধিক

 


আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীই ৪ শতাধিক


জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৩০০ আসনে আওয়ামী লীগের মুখোমুখি এবার দলটিরই অন্তত ৪৪২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। অর্থাৎ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থীর চেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংখ্যা ১৪৪ জন বেশি।


সাধারণত দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে কেউ প্রার্থী হলে সেটাকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। কেউ কেউ এসব প্রার্থীকে ‘বিদ্রোহী’ বলে পরিচয় দেন। তবে এবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নিয়েই দলের নেতাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।


রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয় থেকে আওয়ামী লীগের নেতাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ওই সংখ্যা সংগ্রহ করেছেন প্রথম আলোর প্রতিনিধিরা।


সূত্রঃ প্রথম আলো


সব আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি দুই ‘কিংস পার্টি’

সব আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি দুই ‘কিংস পার্টি’

 


সব আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি দুই ‘কিংস পার্টি’


দেশের রাজনীতিতে ‘কিংস পার্টি’ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া দুই দল তৃণমূল বিএনপি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) জাতীয় সংসদের সব আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি। এর মধ্যে বিএনএম সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে মাত্র ৮২টিতে প্রার্থী দিতে পেরেছে। আর তৃণমূল বিএনপি ২৯০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা জানালেও সেখানে পরিচিত মুখ খুবই কম।


যদিও দল দুটি থেকে সাবেক সংসদ সদস্যসহ বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের অনেকেই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন, এমন আলোচনা ছিল। দল দুটির পক্ষ থেকেও নানা চমকের কথা বলা হয়েছিল। নানা কথা বলে এই দুই দলের নেতারা আলোচনার জন্ম দিলেও শেষ পর্যন্ত সাড়া ফেলার মতো কিছু ঘটাতে পারেনি।


সুত্রঃ প্রথম আলো

Thursday, November 30, 2023

বিএনপি নামক ‘কারাগারে’ বন্দী তাদের নেতারা: তথ্যমন্ত্রী

বিএনপি নামক ‘কারাগারে’ বন্দী তাদের নেতারা: তথ্যমন্ত্রী

 



বিএনপি নামক ‘কারাগারে’ বন্দী তাদের নেতারা: তথ্যমন্ত্রী


তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির মূল নেতৃত্ব কার্যত তাদের দলের নেতাদের বিএনপি নামক ‘কারাগারে’র মধ্যে বন্দী করে রেখেছে। যেখান থেকে বের হয়ে কেউ নির্বাচন করতে পারবে না।

এমনটা বলার কারণ হিসেবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি করলে এখন কোনো নির্বাচন করা যায় না, সংসদ নির্বাচন, উপজেলা নির্বাচন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনও করা যায় না। আর তাদের সিদ্ধান্ত হয়, সাত সমুদ্র তেরো নদীর ওপার থেকে, যার সাথে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই।’


আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

‘তবে বিএনপি নামক এই কারাগার থেকে অনেকেই বের হয়ে এসেছেন’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আজকে অনেকেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, তাঁরা অনেকেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিএনপির অনেক নেতাই স্বীকার করেন যে আসলে এই সিদ্ধান্তগুলো বিএনপিকে ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।’

বিএনপি অপরাজনীতির পথ থেকে বের হয়ে সুস্থ ধারার রাজনীতিতে ফিরে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন হাছান মাহমুদ।

‘ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে যে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না’—এ–সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, টিআইবি যদি মনে করে একটি দল অংশগ্রহণ না করলে সেটি অংশগ্রহণমূলক নয়, তাহলে সেটি টিআইবির চিন্তার বা বোঝার দৈন্য।

টিআইবির প্রতি প্রশ্ন রেখে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২৮ অক্টোবর থেকে দেশে সহিংসতা হয়েছে, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে, জাজেস কমপ্লেক্সে, এমনকি পুলিশ হাসপাতালে হামলা চালানো হলো, নার্সদের অপদস্ত করা হলো, অ্যাম্বুলেন্সসহ ১৯টি গাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হলো, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সে হামলা চালানো হলো, জীবন্ত মানুষকে বাসের মধ্যে পুড়িয়ে হত্যা করা হলো, এ নিয়ে টিআইবির কী বিবৃতি, কী বক্তব্য?’


সুত্রঃ প্রথম আলো

সরকার হটাতে গণ-আন্দোলনকে গণবিস্ফোরণে রূপ দেওয়া হবে: গণতন্ত্র মঞ্চ

সরকার হটাতে গণ-আন্দোলনকে গণবিস্ফোরণে রূপ দেওয়া হবে: গণতন্ত্র মঞ্চ

 



সরকার হটাতে গণ-আন্দোলনকে গণবিস্ফোরণে রূপ দেওয়া হবে: গণতন্ত্র মঞ্চ


চলমান গণ–আন্দোলনকে গণবিস্ফোরণে রূপ দিয়ে সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরোনোর ঘোষণা দিয়েছেন গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা। তাঁরা বলেন, একতরফা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎকে সংকটাপন্ন করে তুলেছে সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল–পরবর্তী প্রতিবাদ সমাবেশে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা এসব কথা বলেন। নির্দলীয় সরকারের অধীন নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে চলমান আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষ থেকে আজ দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

তোপখানা রোডের মেহেরবা প্লাজার সামনে থেকে বের হয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি পল্টনের দৈনিক বাংলার মোড় হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আসে। মিছিল থেকে হরতালকে সমর্থন জানানোর পাশাপাশি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বন্ধ করা ও সরকারের পদত্যাগের দাবি করে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

মিছিল–পরবর্তী সমাবেশ শুরু হয় ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে।

সমাবেশে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, এই কর্তৃত্ববাদী সরকার প্রহসনমূলক একতরফা নির্বাচনের ভেতর দিয়ে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎকে সংকটাপন্ন করে তুলেছে। বিরোধী দলকে দমনের নামে জুলুম নির্যাতন, দমন–পীড়নের মধ্য দিয়ে নাগরিক জীবনকে যন্ত্রণাময় করে তুলেছে।

জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কায় পড়েছে দেশের অর্থনীতি। ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে পোশাকশিল্পে। এই অবস্থা থেকে দেশকে মুক্ত করতে গণ–আন্দোনকে গণবিস্ফোরণে রূপ দিয়ে চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।
নাগরিক ঐক্যের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাখখারুল ইসলাম বলেন, সরকার যে নির্বাচনের আয়োজন করেছে, তা নিজের দলের লোকদের মধ্যে আগামী পাঁচ বছরের জন্য বিভিন্ন এলাকার ইজারা নেওয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। এই ইজারা নেওয়ার নির্বাচন প্রতিহত করতে হবে।

সমাবেশে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম বলেন, এমন কোনো দিন নেই, যে দিন মিথ্যা মামলা দিয়ে শত শত রাজনীতিবিদকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। রাজনীতিকদের পাওয়া না গেলে তাঁদের স্ত্রী–সন্তানদের পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। কেউ সত্য কথা বললে, সরকারের লুটপাট, দুর্নীতি, বিদেশে অর্থ পাচারের কথা বললেই তাঁদের ওপর নেমে আসছে জুলুম–নির্যাতন। এটা বন্ধ করতে হবে।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, জনগণ আজ সারা দেশে স্বতঃস্ফূর্তভাবে হরতাল পালনের মধ্য দিয়ে এই সরকার ও তাদের নীল নকশার নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য বিরোধী দলগুলোর ওপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করছে। কিন্তু এবার আর আগের দুই নির্বাচনের মতো ভোটারবিহীন নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন গণসংহতি আন্দোলনের নেতা শহীদ উদ্দিন মাহমুদ। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারি, ভাসানী অনুসারী পরিষদের হাবিবুর  রহমান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আকবর খানসহ গণতন্ত্র মঞ্চের কেন্দ্রীয় নেতারা।

রওশনকে ছাড়াই নির্বাচনে জাতীয় পার্টি

রওশনকে ছাড়াই নির্বাচনে জাতীয় পার্টি

 


রওশনকে ছাড়াই নির্বাচনে জাতীয় পার্টি


শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম নেননি রওশন এরশাদ। ফলে ৩২ বছর পর রওশনকে ছাড়াই নির্বাচনে নামল জাতীয় পার্টি (জাপা)। একইভাবে রওশনের ছেলে সাদ এরশাদও এবার নির্বাচনে নেই।


জাপার জ্যেষ্ঠ কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তাঁকে নানাভাবে বোঝানো হয়েছে। মহাসচিব একাধিকবার ফোন করেছেন, এমনকি ফরম নিয়ে তাঁর বাসায়ও যেতে চেয়েছেন। তিনি মানা করে বলেছেন, লোক পাঠাবেন। এরপর আমরা তাঁর জন্য শেষ পর্যন্ত অপেক্ষায় ছিলাম। শুনেছি, তাঁকে কেউ ফরম নিতে দেয়নি।’


এই নির্বাচনে রওশন এরশাদের অনুসারী অনেক নেতাকে জাপার মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। এর মধ্যে দলের সাবেক মহাসচিব মসিউর রহমান (রাঙ্গা), জিয়াউল হক মৃধা, গোলাম মসীহ, কাজী মামুনূর রশীদ ও ইকবাল হোসেন উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া নির্বাচনী আসন নিয়ে একমত হতে না পারায় রওশনের ছেলে সাদ এরশাদও মনোনয়ন পাননি। এ কারণে ঘোষণা দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকছেন রওশন এরশাদ। তাঁর নির্বাচনী এলাকা ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনে জাপার উপজেলা সভাপতি আবু মো. মুছা সরকারকে প্রার্থী করা হয়েছে। সেখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মহিবুর রহমান।


এদিকে জাপার মনোনয়ন না পেয়ে মসিউর রহমান রংপুর-১ আসনে ও জিয়াউল হক মৃধা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মসিউর রহমানের আসনে জাপার প্রার্থী মকবুল শাহরিয়ার আসিফ। তিনি এরশাদের ভাতিজা ও সাবেক সংসদ সদস্য। সেখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রেজাউল করিম।


জাপার নেতারা উৎকণ্ঠায়

এখন পর্যন্ত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাপার আসন সমঝোতা হয়নি। ফলে দলটির কেন্দ্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সব আসনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী রয়েছে। জি এম কাদের গতকাল বৃহস্পতিবার দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। একটি ঢাকা-১৭, অন্যটি রংপুর-৩ আসন। ঢাকার আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, আর রংপুরে তুষার কান্তি মণ্ডল।


এ ছাড়া জাপার মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে নাসিরুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ নেতা আনিসুল ইসলাম মাহমুদের চট্টগ্রাম-৫ আসনে আবদুস সালাম, কাজী ফিরোজ রশীদের ঢাকা-৬ আসনে সাঈদ খোকন, সৈয়দ আবু হোসেনের ঢাকা-৪ আসনে সানজিদা খানম, সালমা ইসলামের ঢাকা-১ আসনে সালমান এফ রহমানকে প্রার্থী করেছে আওয়ামী লীগ। এতে জাপার নেতাদের অনেকে উৎকণ্ঠায় আছেন।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাপার উচ্চপর্যায়ের একজন নেতা গত রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে এবার কাকে দিয়ে কী করতে চাইছে, কিছুই বুঝতে পারছি না।’


জাপায় ব্যতিক্রম ঘটনা

জাপার দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, রওশন এরশাদ এবার ছেলে সাদের আসন নিয়ে আপত্তির জেরে নির্বাচনে না গেলেও সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে সমঝোতার বিষয়ে চেষ্টা ছিল। তাঁকে সরকারের ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্তও মনে করা হয়। রওশন এরশাদ ১৯৯১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ছয়বারের সংসদ সদস্য। এর মধ্যে ২০০৮ সালে তিনি


ভোটে হেরে যাওয়ার পর উপনির্বাচনে এরশাদের ছেড়ে দেওয়া রংপুর-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। জাপার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ আমৃত্যু এই আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ২০১৮ সালে এরশাদের মৃত্যুর পর উপনির্বাচনে সাদ এরশাদ সংসদ সদস্য হন। এবারও সাদ প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাতে রাজি হননি জাপার চেয়ারম্যান জি এম কাদের। এবার তিনি নিজেই এই আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন।


অবশ্য ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ‘একতরফা’ নির্বাচন এরশাদ বর্জনের ঘোষণা দিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও তখন রওশন এরশাদ দলের একটি অংশকে নিয়ে নির্বাচন করেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি জাপার মনোনয়নে নেতৃত্ব দেন। নির্বাচনের পর দলের চেয়ারম্যান এরশাদকে বাইরে রেখে তিনি বিরোধীদলীয় নেতা হন। এবার তার ব্যতিক্রম ঘটল।


জাপার নেতারা বলছেন, রওশন এরশাদবিহীন এবারের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপাতত দলে জি এম কাদেরের একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করল। দীর্ঘদিন ধরে দলের নীতিনির্ধারণী বিভিন্ন বিষয়ে জি এম কাদেরের সঙ্গে রওশনপন্থীদের দ্বন্দ্ব চলছিল, যা আদালত পর্যন্ত গড়ায়। সর্বশেষ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়, যা এখনো অমীমাংসিত।


দলটির কো-চেয়ারম্যান ও সাবেক মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘এমন ঘটনাটি ঘটবে, কখনো ভাবিনি। রাজনীতিতে সবকিছু হতে পারে, বুঝলাম অবশেষে।’


সুত্রঃ প্রথম আলো


Tuesday, November 28, 2023

পোস্টার বয়' মিলন পেলেন না জাপার মনোনয়ন

পোস্টার বয়' মিলন পেলেন না জাপার মনোনয়ন

 

পোস্টার বয়' মিলন পেলেন না জাপার মনোনয়ন



ইতিমধ্যে পোস্টার বয় হিসেবে খ্যাতি পেয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার সাইফুদ্দিন আলম মিলন। রাজধানীজুড়ে চলমান উন্নয়ন প্রকল্প মেট্রোরেল, ফ্লাইওভার থেকে শুরু করে ঢাকার অলিতে গলিতে তাকালেই চোখে পড়ে তার পোস্টার। ফলে মানুষ তাকে ডাকেন পোস্টার বয় বলে। 


আলোচিত-সমালোচিত জাতীয় পার্টির এই নেতা এবার মনোনয়ন চেয়েও পাননি জাতীয় পার্টি থেকে।  জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে শুরু করে বিশেষ বিশেষ দিনে ছাপানো পোস্টারে দেখা যায় তার হাস্যোজ্জ্বল মুখ। ফলে জাতীয় পার্টির অন্যান্য নেতাদের ছাপিয়ে তিনি গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন বিভিন্ন সময়। 

পোস্টার বয় মিলন এর আগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও সংসদ নির্বাচনে অংশ নিলেও কখনো জয় লাভ করতে পারেননি। 

ঢাকা-৭ আসনে জাপার মনোনয়ন চেয়েছিলেন তিনি। এবার তার জায়গায় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে তারেক এ আদেলকে। 

এ বিষয়ে মিলন বলেন, জাপার মনোনীত প্রার্থী তালিকায় আমার নাম নেই দেখে বিস্মিত হয়েছি। আমি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।


সুত্রঃ প্রথম আলো


জাতীয় পার্টি

দাগনভূঞা বিএনপির সভাপতির বাড়িতে প্রাইভেট কার পুড়িয়ে দিল দুর্বৃত্তরা

দাগনভূঞা বিএনপির সভাপতির বাড়িতে প্রাইভেট কার পুড়িয়ে দিল দুর্বৃত্তরা

 

দাগনভূঞা বিএনপির সভাপতির বাড়িতে প্রাইভেট কার পুড়িয়ে দিল দুর্বৃত্তরা



ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও দাগনভূঞা পৌরসভার সাবেক মেয়র আকবর হোসেনের বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে একটি প্রাইভেট কার পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল সোমবার রাত সোয়া একটার দিকে দাগনভূঞা পৌর এলাকার আলাইয়ারপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আকবরের পরিবারের কোনো সদস্য বাড়িতে ছিলেন না। আকবর হোসেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছোট ভাই। নাশকতার একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে তিনি কারাগারে।


গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের অভিযুক্ত করেছেন আকবর হোসেনের স্ত্রী ও উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি শাহীন আক্তার।


স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে একদল সন্ত্রাসী বাড়িতে প্রবেশ করে তিন-চারটি ককটেল নিক্ষেপ করে। পরে বাড়িতে বসতঘরের সামনে থাকা আকবর হোসেনের একটি প্রাইভেট কারে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। এ ছাড়া বাড়ির কর্মচারী থাকার ঘরে ভাঙচুর করে সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয় লোকজন খবর দিলে ফেনী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেখানে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।


দাগনভূঞা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন বলেন, আকবর হোসেনের বাড়িতে গাড়ি পোড়ানোর ঘটনা তিনি শোনেননি। সাংবাদিকদের কাছ থেকেই তিনি এ ঘটনার কথা জানতে পারেন। তিনি বলেন, সরকার দলীয় নেতা-কর্মীদের দোষারোপ করা অতি সহজ। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।


দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ বিষয়ে আজ মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দেননি কেউ। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আকবর হোসেন গত শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার তুলাতলী বাজার এলাকায় দলীয় একটি মশাল মিছিল শেষ করে বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাঁকে ঘেরাও করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ফেনী জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেয়।


সুত্রঃ প্রথম আলো